ঢাকা ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, নির্বাহী প্রকৌশলীকে নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ

পাবনার অবকাঠামো উন্নয়ন ও সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম। দায়িত্ব পালনে সততা, নিষ্ঠা ও কঠোরতার কারণে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশংসিত হলেও সম্প্রতি তাঁকে ঘিরে নানা ধরনের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, সরকারি উন্নয়নকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করতে নির্বাহী প্রকৌশলী শুরু থেকেই কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছেন। কোনো ধরনের অনিয়ম কিংবা নিম্নমানের কাজ যাতে প্রকল্পে স্থান না পায়, সে বিষয়ে তিনি নিয়মিত তদারকি ও মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করছেন। তাঁর এমন কঠোর অবস্থানের কারণে স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি মহল অসন্তুষ্ট হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দায়িত্ব পালনে নির্বাহী প্রকৌশলী একজন পরিশ্রমী, বিনয়ী ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত নকশা ও মান অনুযায়ী বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে তিনি নিয়মিতভাবে কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
অভিযোগ রয়েছে, তাঁর কঠোর তদারকির কারণে সুবিধা নিতে না পারা কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের চেষ্টা করছেন। এমনকি কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করে তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারেরও চেষ্টা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম বলেন, “ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে সরকারি দায়িত্ব পালন করাই আমার মূল লক্ষ্য। কোনো প্রকল্পের কাজের মানের সঙ্গে আপস করার সুযোগ নেই। নিয়ম অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতেই আমি দায়িত্ব পালন করছি।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত। যাচাই-বাছাই ছাড়া একতরফা প্রচার কিংবা অপপ্রচার শুধু একজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ন করে না, সরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
পাবনার অবকাঠামো উন্নয়নে চলমান প্রকল্পগুলোর গুণগত মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কাজের মূল্যায়ন হওয়া উচিত তাঁদের বাস্তব কাজ, প্রকল্প বাস্তবায়ন, তদারকি ও দায়িত্ব পালনের ভিত্তিতে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগঃ

অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, নির্বাহী প্রকৌশলীকে নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ

অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, নির্বাহী প্রকৌশলীকে নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেট : ০৯:০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

পাবনার অবকাঠামো উন্নয়ন ও সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম। দায়িত্ব পালনে সততা, নিষ্ঠা ও কঠোরতার কারণে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশংসিত হলেও সম্প্রতি তাঁকে ঘিরে নানা ধরনের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, সরকারি উন্নয়নকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করতে নির্বাহী প্রকৌশলী শুরু থেকেই কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছেন। কোনো ধরনের অনিয়ম কিংবা নিম্নমানের কাজ যাতে প্রকল্পে স্থান না পায়, সে বিষয়ে তিনি নিয়মিত তদারকি ও মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করছেন। তাঁর এমন কঠোর অবস্থানের কারণে স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি মহল অসন্তুষ্ট হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দায়িত্ব পালনে নির্বাহী প্রকৌশলী একজন পরিশ্রমী, বিনয়ী ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত নকশা ও মান অনুযায়ী বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে তিনি নিয়মিতভাবে কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
অভিযোগ রয়েছে, তাঁর কঠোর তদারকির কারণে সুবিধা নিতে না পারা কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের চেষ্টা করছেন। এমনকি কিছু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করে তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারেরও চেষ্টা করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম বলেন, “ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে সরকারি দায়িত্ব পালন করাই আমার মূল লক্ষ্য। কোনো প্রকল্পের কাজের মানের সঙ্গে আপস করার সুযোগ নেই। নিয়ম অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতেই আমি দায়িত্ব পালন করছি।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত। যাচাই-বাছাই ছাড়া একতরফা প্রচার কিংবা অপপ্রচার শুধু একজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ন করে না, সরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
পাবনার অবকাঠামো উন্নয়নে চলমান প্রকল্পগুলোর গুণগত মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কাজের মূল্যায়ন হওয়া উচিত তাঁদের বাস্তব কাজ, প্রকল্প বাস্তবায়ন, তদারকি ও দায়িত্ব পালনের ভিত্তিতে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।