বিক্রি করছি ৬৬৩ দাগে। সেখানেই তারা ৩৮ বছর ধরে ভোগদখল করে আইসে এহন আমার বাড়ির জমির দাগ দাবি করতিছে। ওই সময় সবাই মুর্খ মানুষ ছিলেম, কেউ লেহাপড়া জানতেম না। মুহুরী ভুল কইরে দলিলে ৬৭৭ নম্বর দাগ তুইলে দিছে। শিডা আবার আমরা আদালত থেকে সংশোধানও করে লিছি। তাহলি কেন তারা মানতিছে না। এতকিছুর পরও কি ন্যায়বিচার পাবো লায়।’
অভিযুক্ত আমির হোসেন বলেন, ‘তারা জাল দলিল করে নিয়ে জমি খারিজ করেছে। তারা সব দাগেই জমি কেনাবেচা করেছে। ২০১৪ সালে আমার দাদা আফসার শেখ যখন আমাদের নামে জমি লিখে দেন তখন জমি খারিজ করতে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারি। তাদের ওয়ারিশান জমি নয়, কেনা সম্পত্তি। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের জন্য শালিসে বসার জন্য তাদের বলা হলেও তারা বসে নাই। আমরা ডিগ্রির বিরুদ্ধে আদালতে আপীল করেছি। এখন আইনের মাধ্যমে যেটা হয় হবে। এখন এ নিয়ে বেশি কথা বলে লাভ নাই।’
এ বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মেহেদি হাসান শাকিল বলেন, ‘বাদি বা বিবাদি পক্ষ কেউ যদি আমার রায়ে সন্তুষ্ট না হন, তাহলে তারা আমার রায়ের কপি পাওয়ার পর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এর কাছে আপীল করতে পারবেন। তখন যদি এডিসি স্যার প্রয়োজনে আমার কাছে নথি তলব করেন তখন আমার রায়ের সকল নথি তার কাছে সরবরাহ করবো।’
এসিল্যান্ড আরো বলেন, ‘আর কোনো মামলার বিরুদ্ধে যদি আপীল হয় তাহলে মুল মামলা চলমান থাকে। যদি তাদের (রইচ উদ্দিন গং) মামলার ডিগ্রীর বিরুদ্ধে আপীল করে বিবাদী পক্ষ (আমির গং) তাহলে ওই মামলা এখন চলমান বুঝতে হবে। তাই সেটার রায় না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে অপেক্ষা করতে হবে। কে ভুল কে সঠিক তা নির্ধারণ করবেন আদালত।’
স্টাফ রিপোর্টার 















